Highlights

আমাদের ওয়েব পোর্টালে আপনাকে স্বাগত জানাই....   আপনাদের সহযোগিতা আমাদের এগিয়ে চলার প্রেরণা জোগাবে    আপনি যদি আমাদের ওয়েবসাইটের হয়ে তথ্য ও সংবাদ সংগ্রহে আগ্রহী হন তাহলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন ... কল করুন- 97330 96459 এই নম্বরে অথবা মেইল করুন contact@northbengalinfo.in এই আইডি তে।

Advertisement Advertisement

Latest Jokes

চাকরীর ইন্টারভিউ চলছে ...
বস, "আমরা কাউকে চাকরি দেওয়ার ক্ষেত্রে মাত্র দুইটা রুল ফলো করি।"
সান্টা সিং, "কি কি স্যার?"
বস, "আমাদের দ্বিতীয় রুল হচ্ছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা। আপনি কি এখানে আসার আগে রুমের বাইরে রাখা ম্যাট এ জুতোর তলা মুছে এসেছেন?"
সান্টা সিং, “হ্যাঁ স্যার, হ্যাঁ স্যার!”
বস, "আমাদের প্রথম রুল হলো বিশ্বাসযোগ্যতা এবং আপনার অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে বাইরে কোন ম্যাট ছিলোই না! কাজেই আপনাকে বিশ্বাস করা যাচ্ছে না। আর চাকরীর ব্যাপারটাও ভুলে যান!"

Posted On : 22.02.2017

সান্টা সিং পাড়ার গোয়ালার দোকানে গিয়ে বললো, "তুই ব্যাটা বাসি, খারাপ দুধ বিক্রী করিস! তোর দোকানের দুধ শরবতে ঢালার সাথে সাথে ফেটে গেলো!"
গোয়ালা অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করলো, "কোন শরবতে ঢেলেছিলে?"
সান্টা রাগতভাবে বললো, "কেনো, লেবুর শরবতে!"

Posted On : 22.02.2017

বান্টা সিং রাতে লাফিয়ে উঠে সান্টাকে বললো, "ওয়ে সান্টা, ওঠ, ওঠ! হেভি ভূমিকম্প দিচ্ছে। পুরো ঘর যেভাবে নড়ছে, যেকোনও সময় ভেঙ্গে পড়তে পারে।"
সান্টা সিং বিরক্ত হয়ে বললো, "আবে বান্টা, ঠাণ্ড রাকখিও! বাড়ি ভাঙ্গলে তো ভাঙ্গবে মালিকের, আমরা তো ভাড়াটে!"

Posted On : 22.02.2017

আমাদের পচাদার ছেলে গজা দি গ্রেট একদিন স্কুলের হোমওয়ার্ক করে নিয়ে যায় নি। ব্যস, আর যায় কোথায়! ক্লাস টিচার ওকে পাকড়াও করলেন।
টিচার, "হোমওয়ার্ক করোনি কেন?"
গজা, "স্যার, লোডশেডিং ছিলো।"
টিচার, "তা মোমবাতি জ্বালিয়ে নিতে।"
গজা, "স্যার, দেশলাই ছিলো না।"
টিচার, "দেশলাই ছিলো না কেন?"
গজা, "ঠাকুরঘরে রাখা ছিলো স্যার।"
টিচার, "আচ্ছা, ঠাকুরঘর থেকে নিলে না কেনো?"
গজা, "স্নান করিনি, ঠাকুরঘরে ঢুকবো কি করে?"
টিচার, "ওফ! তা স্নান করতে কে বারণ করেছিলো?"
গজা, "জল ছিলো না স্যার।"
টিচার, "জল কেন ছিলো না?"
গজা, "পাম্পের মোটর চলছিলো না স্যার।"
টিচার, এবারে ধৈর্য্যের  শেষ  সীমায় পৌঁছে গিয়ে, দাঁত  কিড়মিড়  করে বললেন, "আরে উল্লুক, মোটরটা কেন  চলছিলো না?"
গজা, "স্যার, আপনাকে তো প্রথমেই বললাম যে লোডশেডিং ছিলো!"

Posted On : 22.02.2017

সালটা ২০১২। 
পচাদার ছেলে গজাও পচাদার মতনই ডেঞ্জারাস হয়েছে।
ওদের স্কুল থেকে পচাদাকে ডাকিয়েছিল। ফেরত এসে পচাদা গল্প করছে, "বুঝলি, ঘটনাটা হেবভি হয়েছে রে!"
গজা ওদের ক্লাসের মিসকে বলেছে, "মিস, আমাকে তোমার কেমন লাগে?"
মিস, "সো সুইট! মিষ্টি ছেলে!" এই বলে গাল টিপে দিলো।
গজা, "তাহলে মিস, আমি বাবা-মাকে তোমার বাড়িতে যেতে বলি?"
মিস, একটু অবাক হয়ে, "কেনো?"
গজা, "কেনো আবার! ওরা তোমার বাড়িতে গিয়ে আমাদের কথাটা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবে।"
মিস, এবার রেগে গিয়ে, "কি উল্টোপাল্টা কথা বলছো?"

গজা, এবার আগের বাক্যটাকে শেষ করলো, "... টিউশন পড়ানোর জন্য!"

Posted On : 22.02.2017

ভোম্বলের পাশের বাসায় থাকে এক তরুণী।
একদিন ভোম্বল তাদের বাসায় কলবেল চাপল। তরুণী দরজা খুলল।
ভোম্বল: আপনাদের বাসায় কি চিনি আছে?
তরুণী: হুঁ, আছে।
ভোম্বল: ও! না মানে…বলছিলাম, চিনি না থাকলে আমাদের বাসায় এসে চাইতে পারেন। আমাদের বাসায়ও চিনি আছে।

Posted On : 22.02.2017

শিক্ষক: বলো দেখি রতন, জীবনে বড় হতে হলে কোন বই তোমাকে সবচেয়ে সাহায্য করবে?

রতনঃ  স্যার, আমার বাবার চেক বই।

Posted On : 22.02.2017

মৌখিক পরীক্ষার সময় স্যার আমাদের এক বন্ধুকে পরীক্ষার রুম থেকে বের করে দিলেন।

বাকরুদ্ধ হয়ে রুম থেকে বের হয়ে গেল ওই বন্ধু।

তাকে বের করে দিয়েও থামলেন না স্যার।

চিৎকার করে বলতে লাগলেন, ‘কত বড় সাহস! আমার সামনে বসেই কিনা নকল করে!’

আমরা হোস্টেলে এসে ওকে জিজ্ঞেস করলাম, ‘কী করেছিলি রে?’

ও বলল, ‘তেমন কিছু না, বুকটা একটু চুলকাচ্ছিলাম। ঘামাচি হয়েছে তো!’

জানতে চাইলাম, ‘স্যার কী প্রশ্ন ধরেছিলেন?’

ও বলল, ‘মানুষের বুকে হাড়ের সংখ্যা কত?’

Posted On : 22.02.2017

পড়াশোনার অবস্থা দেখে নিশ্চয়ই বুঝেছেন আমার ক্যারিয়ারের অবস্থা। টেনেটুনে পড়াশোনা শেষ করে আর কিছু হচ্ছে না। মানে ক্যারিয়ার বলতে কিছু নেই। কিন্তু বিয়েরও তো বয়স হয়েছে। এমন ছেলের কাছে কেই-বা মেয়ে বিয়ে দিতে চায়, বলুন।
অনেক কষ্টে বাসা থেকে একটা মেয়ে ঠিক করা হলো।
আমিসহ পরিবারের সবাই মেয়ে দেখতে গেছি।
খানিক বাদে মেয়ে এল সামনে। আমরা তো দেখে অবাক।
মেয়েকে আমাদের সামনে আনা হয়েছে সুইমিং কস্টিউম পরিয়ে।
মেয়ের বাবার কাছে জানতে চাইলাম, এমন পোশাকে মেয়েকে সামনে আনার কারণ কী?
মেয়ের বাবা উত্তর দিলেন, ‘না মানে, তোমার সঙ্গে মেয়ে বিয়ে দেওয়া মানে তো জলে ফেলে দেওয়া, তাই আগে থেকেই প্রস্তুত করে দিলাম।’

Posted On : 22.02.2017

দুই বন্ধু রনি আর বনির মধ্যে কথা হচ্ছে।
রনি: বল তো, ঘটা করে বিয়ে আর প্রেম করে বিয়ের মধ্যে পার্থক্য কী?
বনি: এটা তো খুবই সোজা।
রনি: আহা, বল না।
বনি: শোন, পার্থক্যটা খুবই সাধারণ। প্রেম করে বিয়ে করলে নিজের প্রেমিকাকে বিয়ে করতে হয়, আর ঘটা করে বিয়েতে অন্যের প্রেমিকাকে বিয়ে করতে হয়।

Posted On : 22.02.2017

মজনু গেছে পাত্রী দেখতে। পাত্রীর বাবা: ব্যাটা, তুমি মদ খাও নাকি? মজনু: না না আঙ্কেল, আপাতত চা হলেই চলবে!

Posted On : 22.02.2017



বিধানসভায় পবিত্র কর তার বক্তৃতার ফাঁকে একটি গল্প বলেছিলেন -

“এক বাবা তার তিন ছেলেকে ১০০ টাকা করে দিয়ে বললেন যে এমন কিছু কিনে আনো যাতে ঘরটা পুরো ভর্তি হয়ে যায়।"

প্রথম ছেলে ১০০ টাকার খড় কিনে আনল কিন্তু তা দিয়ে ঘর পুরোপুরি ভর্তি করতে পারল না।

দ্বিতীয় ছেলে ১০০ টাকার তুলো কিনে আনল কিন্তু তাতেও ঘর পুরো ভর্তি হলো না।

তৃতীয় ছেলে ৫ টাকা দিয়ে একটি মোমবাতি কিনে আনল এবং ঘরের মাঝেখানে রেখে জ্বালাল। এতে পুরো ঘর আলোতে ভরে উঠলো।

পবিত্র কর আরও বলতে লাগলেন, "আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন তৃতীয় ছেলের মতো। যেদিন থেকে তিনি দায়িত্ব নিয়েছেন এই রাজ্য উন্নতির আলোতে ভরে উঠেছে।"

পিছন থেকে আওয়াজ আসলো, "সেটাতো ঠিকই আছে, কিন্তু বাকি ৯৫ টাকা গেলো কোথায়?"

Posted On : 22.02.2017

বাবু জানালা দিয়ে দেখলেন তাঁর কুচুটে প্রতিবেশী সদর দরজার দিকে আসছেন। তিনি পিছনের দরজা দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার আগে ছেলেকে কানে কানে শিখিয়ে দিলেন একটি কথা । ছেলেটি সদর দরজা খুলতে চলে গেল । খুলেই বলল–আপনি বাবার কাছে এসেছেন তো ? মিনিট খানেক আগে এলেই দেখা হয়ে যেত। যাকগে আর দেরি করবেন না। এক দৌড়ে বাস স্ট্যান্ডের দিকে চলে যান। নির্ঘাত বাবার দেখা পাবেন ।

বৃদ্ধ ভদ্রলোক পাওনা টকা আদায়ের আশায় উলেটা-মুখো বাসস্ট্যাণ্ডের দিকে দৌড়লেন ।

Posted On : 05.02.2017

 

মদন অতিরিক্ত স্পিডে গাড়ি চালানোর দায়ে ট্রাফিক পুলিশ দাঁড় করালো।

পুলিশ, "কি ব্যাপার, এত জোরে গাড়ি চালাচ্ছিলেন কেন?"

মদন, "কি করবো? আমার তো লাইসেন্স নেই!"

পুলিশ, "সর্বনাশ! লাইসেন্স ছাড়াই গাড়ি নিয়ে বেরিয়েছেন?"

মদন, "আরে, আমার স্ত্রীকে হঠাৎ খুন করে ফেললাম। এবার লাশটাকে তো গুম করতে হবে।"

পুলিশ পুরো ভড়কে গিয়ে বললো, "লাশ কই?"

মদন, "বনেটে আছে"

সঙ্গে সঙ্গে ওয়্যারলেসে সব জায়গায় খবরটা জানিয়ে দিলেন ট্রাফিক পুলিশ। তার মনে একজন ভয়ংকর অপরাধী ধরার সাফল্যে প্রমোশনের আশা। পুলিশের বড় কর্তা সবাই এসে হাজির। আর তাদের সঙ্গে মিডিয়া। চারদিক লোকারণ্য।

বড় কর্তা এবার মদনকে জিজ্ঞেস করলেন, "তুমি নাকি খুন করেছো?"

মদন শুনে চেঁচিয়ে উঠল, "পুলিশ প্রচন্ড মিথ্যাবাদী। ঘুষ না পেয়ে আমাকে ফাঁসাতে চাইছে। আমি খুনটুন কিছু করিনি।"

বড় কর্তা লোকটির কথায় কান না দিয়ে গাড়ির বনেট তুললেন, কিন্ত সেখানে কিচ্ছুটি নেই। একদম ফাঁকা। রাগত দৃষ্টিতে তিনি এবার ট্রাফিক পুলিশের দিকে তাকালেন।

পুলিশ বেচারা আমতা আমতা করে বলতে লাগলেন, "লোকটা লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালাচ্ছে!"

মদন সঙ্গে সঙ্গে চেঁচিয়ে উঠল, "ব্যাটা মিথ্যাবাদী, এটা কি?'' এই বলে পকেট থেকে লাইসেন্সটা বের করে দিল। লাইসেন্স দেখে পুলিশ আমতা আমতা করে আরো কিছু বলতে যাচ্ছিলেন, ঠিক তখনই মদন আবারো চেঁচিয়ে উঠলো, "বলুন,আরো বানিয়ে বানিয়ে বলুন! এবার নিশ্চয়ই বলবেন যে আমি বেশি স্পিডে গাড়ি চালাচ্ছিলাম?"

 

- সংগ্রাহক -  নিখিল শর্মা, শিলিগুড়ি

Posted On : 30.01.2017

 

এক বিশাল পড়াকু টাইপের ছেলে তার গার্লফ্রেণ্ডকে নিয়ে জীবনে প্রথমবার ডিনার ডেটে গেছে।

ওয়েটার এসে পাশে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলো, "কি অর্ডার করবেন স্যার ... ম্যাডাম?"

তো ছেলেটা ভাবলো একবার মেনুকার্ডটা দেখে নেওয়া যাক। কিন্তু পড়তে পড়তে বেচারার মাথার হাল তো অলরেডি বেহাল। কিছুতেই মেনু নামটা মনে আসছে না।

মিনিট দুয়েক মাথা-টাথা চুলকে বললো, "ভাই, একটু সিলেবাসটা নিয়ে এসো তো!"

- সংগ্রাহক - দিলীপ কুমার রায়, ময়নাগুড়ি

Posted On : 30.01.2017